
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘ইফতার, তারাবি ও সেহরিতে যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে পারি, সেই চেষ্টা আমাদের রয়েছে। বিদ্যুতের ঘাটতি আছে, সেটাকে কীভাবে সুন্দর ব্যবস্থাপনা করে জনদুর্ভোগ কমানো যায় সেটা নিয়ে কাজ শুরু করেছি।

জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে এবং মাহে রমজানে যেন এলপিজির কোনো ঘাটতি না থাকে সে লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা।

আপাতত সরকার শুধু এলপিজি আমদানির পর্যায়েই যুক্ত থাকবে। সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণ কার্যক্রমে সরাসরি জড়িত হওয়ার

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ।